যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনীতিতে গত মাসে ১ লাখ ৪৩ হাজার নতুন চাকরি যুক্ত হয়েছে, যা পূর্বাভাসের তুলনায় কম। তবে বিশ্লেষকরা বলছেন, প্রত্যাশার তুলনায় নতুন চাকরির সংখ্যা কম হলেও বেকারত্বের হার কমা ও বেতন বৃদ্ধির ধারা অব্যাহত রয়েছে। এটি মার্কিন অর্থনীতির স্থিতিশীলতা নির্দেশ করছে। খবর এফটি।
এর আগে রয়টার্সের জরিপে গত মাসে ১ লাখ ৭০ হাজার নতুন চাকরির পূর্বাভাস দেয়া হয়েছিল। বাস্তবে এর থেকে কম চাকরি সৃষ্টি হয়েছে। এদিকে যুক্তরাষ্ট্রের ব্যুরো অব লেবার স্ট্যাটিসটিকসের (বিএলএস) ডিসেম্বরের চাকরির সংশোধিত প্রতিবেদন আরো শক্তিশালী প্রবৃদ্ধির ইঙ্গিত দিচ্ছে। এর আগে ২ লাখ ৫৬ হাজার নতুন চাকরি সৃষ্টির কথা বলা হয়েছিল। তবে সংশোধিত হিসাবে তা ৩ লাখ ৭ হাজারে উন্নীত করেছে বিএলএস।
জানুয়ারিতে বেকারত্বের হার ৪ দশমিক ১ শতাংশ থেকে কমে ৪ শতাংশে নেমে এসেছে। অর্থনীতিবিদ ও বাজার বিশ্লেষকদের মতে, বেকারত্ব হ্রাস ফেডারেল রিজার্ভকে সুদহার কমানোর ক্ষেত্রে সতর্ক নীতি গ্রহণের সুযোগ করে দিতে পারে।
শুক্রবার এ প্রতিবেদন প্রকাশের পর মার্কিন পুঁজিবাজার ও সরকারি বন্ডের বাজার চাপে পড়ে। দুই বছরের ট্রেজারি বন্ডের ইল্ড (মুনাফা) দশমিক শূন্য ৮ শতাংশীয় পয়েন্ট বেড়ে ৪ দশমিক ২৯ শতাংশে পৌঁছায়, যা দুই সপ্তাহের মধ্যে সর্বোচ্চ।
অন্যদিকে ১০ বছরের ট্রেজারি বন্ডের ইল্ড দশমিক শূন্য ৫ শতাংশীয় পয়েন্ট বেড়ে ৪ দশমিক ৪৯ শতাংশে ওঠে।
এসঅ্যান্ডপি৫০০ সূচক প্রায় ১ শতাংশ পতন লক্ষ করে। প্রযুক্তি খাতের নাসডাক কম্পোজিট সূচকও ১ দশমিক ৪ শতাংশ কমে যায়।
মাত্র এক সপ্তাহ আগেই মার্কিন কেন্দ্রীয় ব্যাংক ফেডারেল রিজার্ভ সুদহার ৪ দশমিক ২৫ থেকে ৪ দশমিক ৫ শতাংশের মধ্যে অপরিবর্তিত রাখার সিদ্ধান্ত নেয়। যদিও মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ধারাবাহিকভাবে ঋণের সুদহার কমানোর জন্য চাপ দিচ্ছেন।